Main Menu

Welcome to Dartmouth Family Centre!

We’re Hiring! Click here to view opportunities.

 Dartmouth Family Centre is a non-profit organization located in the area of Dartmouth North. The Centre offers programs and services to support families with children prenatal to age six. Our main activities include prenatal and postnatal support, child development programs, programs for parents and children together, and parenting support. Programs and supports for families take place at the Centre, at outreach locations, and in their homes.

At the Centre:

  • We are open to all, with a special focus on families with children prenatal to age six.
  • Programs and supports are voluntary allowing you to choose how you wish to be involved and to what degree.
  • You are welcome to drop by the community drop-in room; there you can meet other parents, play with your children, and chat with staff.
  • Childcare and bus tickets are provided for registered programs, making it easier for you to be involved.
  • Healthy snacks are offered to families taking part in registered programs.
  • All programs and supports are free.

Hours:

  The Centre is open 9:00am to 4:00pm, Monday to Friday (closed 12:00 to 1:00pm daily and Thursday afternoons). As well, occasional evening programs take place.  

View our 2014-2015 Annual Report

Thank you to our generous funders: Capital District Health Authority, Public Health Agency of Canada, Nova Scotia Department of Community Services, United Way Halifax, Employment & Social Development Canada, Community Food Centres Canada, Sisters of Charity, RBC Foundation

Latest Post

ডোমেইন কি? ডোমেইন কেনা কেন প্রয়োজন?

ডোমেইন কি?আপনি একটি ওয়েবসাইট বানাতে চাইলে ইন্টারনেটে আপনাকে একটি এড্রেস বা ডোমেইন কিনতে হবে। ডোমেইন একটা নাম যা আপনার ওয়েবসাইট কে আইডেন্টিফাই করে। ডোমেইন নাম মানুষের নামের মতই। একটি মানুষের

ওয়েব হোস্টিং কেনার আগে কিছু সাধারণ প্রশ্ন!

কোন তথ্যকে অন্যের কাছে তুলে ধরার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সহজ মাধ্যম হচ্ছে ওয়েবসাইট। আপনার ওয়েবসাইট সম্পর্কে বিস্তারিত ভিজিটরকে জানাতে হলে, ওয়েবসাইট সম্পর্কে বিস্তারিত লিখতে হবে, প্রয়োজনীয় ছবি আপলোড করতে হবে,

টপ লেভেল ডোমেইন কি? কত প্রকার কি কি?

আসুন প্রথমে জানি ডোমেইন কি? আপনি একটি ওয়েবসাইট বানাতে চাইলে ইন্টারনেটে আপনাকে একটি এড্রেস বা ডোমেইন কিনতে হবে। ডোমেইন একটা নাম যা আপনার ওয়েবসাইট কে আইডেন্টিফাই করে। ডোমেইন নেম মানুষের

Copyright © 2015 Dartmouth Family Centre. All Rights Reserved.

Latest Blog

ডোমেইন কি? ডোমেইন কেনা কেন প্রয়োজন?

ডোমেইন কি?
আপনি একটি ওয়েবসাইট বানাতে চাইলে ইন্টারনেটে আপনাকে একটি এড্রেস বা ডোমেইন কিনতে হবে। ডোমেইন একটা নাম যা আপনার ওয়েবসাইট কে আইডেন্টিফাই করে। ডোমেইন নাম মানুষের নামের মতই। একটি মানুষের নাম তার পরিচয় বহন করে, তেমনি একটা ডোমেইন নাম একটা ওয়েবসাইট এর পরিচয় বহন করে। পার্থক্য হল একটি নাম একাধিক মানুষের হতে পারে, তবে ডোমেইন নাম ইউনিক, একটি ডোমেইন পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি নেই। ডোমেইন হচ্ছে একটি ওয়েবসাইট এড্রেস যার মাধ্যমে বাবহারকারীরা আপনার ওয়েবসাইট টি খুজে পাই। যেমন, arhostbd.com।


ডোমেইন কেনা কেন প্রয়োজন?
অনেক সময় দেখা যায় আমরা যে নামে ব্যবসা করছি সেই নামে অন্যরাও ব্যবসা করতে পারে বা নামটি ব্রান্ডেবল হতে পারে। ডোমেইন নেম ইউনিক হওয়াতে আপনার ব্যবসার নামের ডোমেইন টা কেউ কিনে ফেললে আপনার কিছুই করার থাকবে না। ভবিষ্যতে ওয়েবসাইট বানানোর পরকল্পনা থাকলে ডোমেইন টি কিনে রাখা এই জন্য জরুরি। আপনি ওয়েবসাইট ছাড়াই অনেক ভাল ব্যবসা করলেন। পরে ওয়েবসাইট বানাতে গিয়ে দেখলেন আপনার ব্যবসার নামের ডোমেইন টি খালি নেই বা অন্য কেউ আপনার ব্যবসার নামের ডোমেইন দিয়ে ওয়েবসাইট বানিয়ে ফেলছে। বর্তমান সময়ে অনলাইন ব্যবসার জন্য ওয়েবসাইট গুরুত্বপূর্ন। তাই ব্যবসার নামে ডোমেইন কিনে রাখা জরুরি।


আপনার ব্যবসার জন্য ডোমেইন কেনার জন্য আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে:

ব্র্যান্ডিং: ইন্টারনেটে আপনার ব্যবসার জন্য একটি ডোমেইন নাম একটি অনন্য শনাক্তকারী। এটি আপনার ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠা করতে সাহায্য করে এবং আপনাকে একটি পেশাদার ইমেজ দেয়।

বিশ্বাসযোগ্যতা: আপনার ব্যবসার নামের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত একটি ডোমেইন নাম থাকা গ্রাহকদের কাছে আপনাকে অনলাইনে খুঁজে পাওয়া সহজ করে এবং তাদের আপনার ব্যবসা সম্পর্কে বিশ্বাসযোগ্যতার ধারণা দেয়।

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান: আপনার ব্যবসার নাম বা আপনার ব্যবসার সাথে সম্পর্কিত কীওয়ার্ডগুলি অন্তর্ভুক্ত করে এমন একটি ডোমেইন নাম থাকা আপনার সার্চ ইঞ্জিন র‌্যাঙ্কিং উন্নত করতে এবং অনলাইনে আপনার দৃশ্যমানতা বাড়াতে সহায়তা করতে পারে।

বিপণন: একটি ডোমেইন নাম আপনার ব্যবসার প্রচার এবং আপনার ওয়েবসাইটে ট্রাফিক চালনা করার জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

বিজনেস ইমেইল: একটি ডোমেইন নাম থাকলে আপনি বিজনেস ইমেল তৈরি করতে পারবেন, যেমন info@arhostbd.com, যা আপনার বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে এবং গ্রাহকদের আপনার সাথে যোগাযোগ করা সহজ করতে সাহায্য করতে পারে।


সংক্ষেপে, একটি ডোমেইন নামের মালিকানা হল আপনার ব্যবসাকে অনলাইনে প্রতিষ্ঠা করার এবং একটি পেশাদার ইমেজ তৈরি করার একটি অপরিহার্য পদক্ষেপ যা আপনাকে গ্রাহকদের আকর্ষণ করতে এবং পেশাদারিত্ব ধরে রাখতে সাহায্য করবে।

ওয়েব হোস্টিং কেনার আগে কিছু সাধারণ প্রশ্ন!

কোন তথ্যকে অন্যের কাছে তুলে ধরার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সহজ মাধ্যম হচ্ছে ওয়েবসাইট। আপনার ওয়েবসাইট সম্পর্কে বিস্তারিত ভিজিটরকে জানাতে হলে, ওয়েবসাইট সম্পর্কে বিস্তারিত লিখতে হবে, প্রয়োজনীয় ছবি আপলোড করতে হবে, প্রয়োজনে ভিডিও আপলোড করতে হবে। এই তথ্য গুলো আপলোড করার জন্য একটি নিদিষ্ট জায়গার প্রযোজন হয়, এই জায়গার নামই হল হোষ্টিং। আর খারাপ মানের হোস্টিং মুহুর্তেই আপনার অনলাইন ব্যবসার ক্ষতি করতে পারে। তাই, হোস্টিং কেনার পূর্বে অবশ্যই সচেতন হতে হবে।

চলুন জানি, ওয়েব হোস্টিং সম্পর্কে সাধারন কিছু প্রশ্নঃ

সার্ভার আপটাইম কি?
সার্ভার আপটাইম আপনার ব্যবসার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ন বিষয়। আপনি যেখানে ওয়েবসাইট হোস্ট করবেন, সেই সার্ভার যতক্ষন চালু থাকবে আপনার ওয়েবসাইও তত সময় চালু থাকবে। অধিকাংশ কোম্পানি ৯৯.৯৯% আপটাইম প্রতিশ্রুতি দেই। কিন্তু অনেক সময় সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারে না। সার্ভার বন্ধ থাকলে আপনার সাইটদও বন্ধ থাকবে। ভিসিটর টা ভিসিট করতে পারবে না। সার্চ ইন্জিনগুলোর সার্চ রেজাল্টেও দেখাবেনা আপনার ওয়েবসাইট। গুগল মামা আপনার সাইটের রাংকিং কমিয়ে দিবে। চিন্তা করেন আপনার অনলাইন ব্যবসার কি হবে! তাই অবশ্যই আপটাইম খুব ভালভাবে জেনে নিয়ে হোস্টিং কিনবেন।

ব্যান্ডউইথ কী?
কম্পিউটার প্রযুক্তিতে ব্যান্ডউইথ বলতে বুঝায় প্রতি সেকেন্ডে বা প্রতি একক সময়ে নির্ধারিত ডাটা (Data) স্থানান্তরের হারকে বুঝায়। সাধারণত, এই ব্যান্ডউইথ এর হিসাব করা হয় বিট পার সেকেন্ড (BPS) হিসাবে। এর মানে প্রতি সেকেন্ডে কত বিট ডাটা ট্রান্সফার হচ্ছে তার পরিমান হলো ব্যান্ডউইথ।

আরো সহজ করে বলতে পারি, হোস্টিং ব্যান্ডউইথ হচ্ছে কোন একটি সার্ভার থেকে আপনার ওয়েবসাইট যারা ভিসিট করবে তাদের কম্পিউটারে প্রতি সেকেন্ডে বা প্রতি একক সময়ে কতটুকু পরিমান ডাটা ট্রান্সফার হবে।

মনে করেন আপনার ওয়েবসাইটিতে ৭ টি ওয়েবপেজ রয়েছে এবং প্রতিটি ওয়েবপেজের সাইজ ৫০০ কিলোবাইট। দৈনিক ৫০০০ জন ভিজিটর গড়ে ৭টি করে পেজ ভিজিট করে । তখন আপনার মোট ব্যান্ডউইথ দরকার হবে (৫০০০ ভিজিটর × ৭ ওয়েবপেজ × ওয়েবপেজের সাইজ ৫০০ কিলোবাইট) তাহলে মোট= ১৭,৫00,000 কিলোবাইট বা ১৬.৬৯ জিবি।

সেটাপ ফ্রী কত?
অধিকাংশ কোম্পানি বিশেষ করে শেয়ারড হোস্টিং বিনামূল্যে সেটাপ করে দেয়। কিন্তু যখন আপনি রিসেলার, ভিপিএস বা ডেডিকেটেড সার্ভার নিবেন তখন সেটাপ ফ্রী লাগতেও পারে। আবার অনেকে ম্যানেজড সার্ভিস নিতে চান। সেই ক্ষেত্রে খরচ কেমন হয় ভালভাবে জেনে নিবেন।

কতগুলো ওয়েবসাইট হোস্ট করতে পারবেন?
হোস্টিং কোম্পানি তাদের প্যাকেজ গুলোতে কতগুলো ওয়েবসাইট হোস্ট করতে পারবেন সেটা সেট করে রাখে। সংখ্যাটা বিভিন্ন প্যাকেজের উপর নির্ভর করে। তারপরো ভালভাবে জেনে নিবেন আপনার নেওয়া প্যাকেজে আপনি কতগুলো ওয়েবসাইট হোস্ট করতে পারবেন।

২৪/৭ সাপোর্ট পাবেন কিনা?
এটা জেনে নেওয়া খুবই গুরুক্তপূর্ন আপনি সবসময় সাপোর্ট পাবেন কিনা। সার্ভার সংক্রান্ত যেকোন সমস্যা যেকোন সময় হতে পারে। সেটা হোক দিন বা রাত। প্রায় সব কোম্পানি ২৪/৭ সাপোর্ট এর কথা বলে। অনেকে অভিযোগ করেন কোম্পানি সাপোর্ট দেইনা, কল ধরেনা, মেইল রেপ্লে দেইনা ইত্যাদি। আপনার ব্যবসা বা যে কাজেই ওয়েবসাইট করেন না কেন তার অবশ্যই গুরুক্তপূর্ন। আর সাইট সবসময় চালু রাখতে কোন সমস্যা হলে সেটা দ্রুত সমাধান প্রয়োজন। তাই সাপোর্ট ঠিকমত দিবে কিনা অবশ্যই ভালভাবে জেনে নিবেন।

টপ লেভেল ডোমেইন কি? কত প্রকার কি কি?

আসুন প্রথমে জানি ডোমেইন কি?

আপনি একটি ওয়েবসাইট বানাতে চাইলে ইন্টারনেটে আপনাকে একটি এড্রেস বা ডোমেইন কিনতে হবে। ডোমেইন একটা নাম যা আপনার ওয়েবসাইট কে আইডেন্টিফাই করে। ডোমেইন নেম মানুষের নামের মতই। একটি মানুষের নাম তার পরিচয় বহন করে, তেমনি একটা ডোমেইন নেম একটা ওয়েবসাইট এর পরিচয় বহন করে। পার্থক্য হল একটি নাম একাধিক মানুষের হতে পারে, তবে ডোমেইন নেম ইউনিক, একটি ডোমেইন পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি নেই। ডোমেইন হচ্ছে একটি ওয়েবসাইট এড্রেস যার মাধ্যমে বাবহারকারীরা আপনার ওয়েবসাইট টি খুজে পাই। যেমন, prothomalo.com, jugantor.com, arhostbd.com ইত্যাদি।

ডোমেইন ডোমেইন মুলত চার প্রকার। যেমনঃ

TLD = Top Level Domain

gTLD = Generic Top Level Domain

0SLD = Sub Level Domain

ccTLD = Country Code Top Level Domain

TLD = Top Level Domain:
টপ লেভেল ডোমেইন (TLD) হল একটি ডোমেইন নামের শেষ অংশ, যেমন .com, .org বা .org। TLDs একটি ওয়েবসাইটের সাথে যুক্ত প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য বা ধরন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
যেমনঃ .com, .org, .edu, .gov, .info, .net, ইত্যাদি।

gTLD = Generic Top Level Domain:
একটি জেনেরিক টপ-লেভেল ডোমেইন (gTLD) হল এক ধরনের টপ-লেভেল ডোমেইন (TLD) যা কোনো নির্দিষ্ট দেশ বা অঞ্চলের জন্য নির্দিষ্ট নয়, বিশ্বব্যাপী যে কেউ ব্যবহার করতে পারে সেগুলোকে Generic Top Level Domain বলে।
যেমনঃ .com, .org, .edu, .gov, .info, .biz, .example ইত্যাদি।


0SLD = Sub Level Domain:
সাব ডোমেইন বলতে বোঝায় এমন একটি ডোমেইন যা অন্য একটি ডোমেইন এর অংশ। যেমনঃ arhostbd.com একটা ডোমেইন এবং clients.arhostbd.com একটি সাব ডোমেইন। এখানে blog. Sub Level Domain। একটা ডোমেইন এর একের অধিক Sub Level Domain থাকতে পারে।

ccTLD = Country Code Top Level Domain:
কান্ট্রি কোড টপ-লেভেল ডোমেইন (ccTLD) হল একটি ইন্টারনেট ডোমেইন নামের শেষ অংশ যা একটি নির্দিষ্ট দেশ বা সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্য নির্দিষ্ট। যেটা দ্বারা কোন দেশ, সার্বভৌম রাষ্ট্র বা একটি দেশের কোডের সাথে চিহ্নিত অঞ্চল হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
যেমন, .bd(Bangladesh), .us (America), .au (Australia), .is(Iceland) ইত্যাদি।

কিভাবে ডোমেইন ট্রান্সফার করবেন?

ডোমেইন ট্রান্সফার কি?
সহজ কথায় বলতে গেলে এক রেজিস্টার থেকে অন্য রেজিস্টারে ডোমেইন ট্রান্সফার করাকেই ডোমেইন ট্রান্সফার বলে। গ্রাহক যদি কোন কারনে যে কোম্পানি থেকে ডোমেইন কিনেছেন সেই কোম্পানির সার্ভিসে সন্তুষ্ট না থাকেন তাহলে ডোমেইন ট্রান্সফার করে থাকেন।

ডোমেইন ট্রান্সফারে কিছু শর্তাবলীঃ

  • ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করার ৬০ দিনের মধ্যে ডোমেইন ট্রান্সফার করা যায়না। তাই ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন এর ৬০ দিন পর থেকে ডোমেইন ট্রান্সফার আবেদন করতে পারবেন।
  • ডোমেইন লক থাকলে ট্রান্সফার করা যায়না। তাই ট্রান্সফার করার আগে অবশ্যই আনলক করে নিতে হবে।
  • ডোমেনের মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখের অন্তত ৭-১০ দিন আগে ডোমেইন ট্রান্সফার শুরু করার পরামর্শ দেওয়া হয় যাতে কোনও সম্ভাব্য সমস্যা বা ট্রান্সফার প্রক্রিয়াতে বিলম্ব না হয়।
  • ডোমেইন ট্রান্সফার করতে EPP/AUTH কোড প্রয়োজন। এই কোড ডোমেইন কন্ট্রোল প্যানেলে পাওয়া যায় অথবা রিকুয়েস্ট করলে রেজিস্টার থেকে মেইলে পাঠানো হয়।

কিভাবে ডোমেইন ট্রান্সফার করবেন?
যে কোম্পানী তে ট্রান্সফার করবেন সেই কোম্পানির ওয়েবসাইটের ডোমেইন ট্রান্সফার পেজে গিয়ে আপনার ডোমেইন এবং EPP/AUTH কোড প্রদান করে ডোমেইন ট্রান্সফার রিকুয়েস্ট করতে পারেন। ট্রান্সফার রিকুয়েস্ট হয়ে গেলে, আপনি আপনার বর্তমান রেজিস্ট্রারের কাছ থেকে একটি ইমেল পাবেন যেখানে আপনাকে ট্রান্সফার অনুমোদন করতে বলা হবে। ট্রান্সফার অনুমোদন করার জন্য আপনাকে ইমেলে দেওয়া নির্দেশাবলী অনুসরণ করতে হবে। ট্রান্সফার প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ হতে সাধারণত কয়েক দিন থেকে এক সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগে। ট্রান্সফার সম্পূর্ণ হলে, ডোমেনটি নতুন রেজিস্ট্রারের নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং আপনি তাদের নিয়ন্ত্রণ প্যানেলের মাধ্যমে এটি পরিচালনা করতে সক্ষম হবেন৷

এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে বিভিন্ন রেজিস্ট্রারের একটি ডোমেইন ট্রান্সফার করার জন্য সামান্য ভিন্ন পদ্ধতি থাকতে পারে, তাই আপনার বর্তমান রেজিস্ট্রার এবং নতুন রেজিস্ট্রারের ইন্সট্রাকশন্স এবং রিকুইরেমেন্টস সম্পর্কে ভালভাবে জেনে নিবেন।

কিভাবে একটি ভালো মানের ডোমেইন ও হোস্টিং কিনবেন?

আপনার একটি ব্যবসা, অর্গানাইজেশন, ব্যক্তিগত, নিউজ পোর্টাল বা অন্য কোন সার্ভিস এর জন্য একটি ওয়েবসাইট বানাতে হলে প্রথমে আপনার একটি ডোমেইন প্রয়োজন হবে। ডোমেইন টি হোস্ট করার জন্য একটি ভাল মানের হোষ্টিং প্রয়োজন হবে। 

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মত আমাদের দেশেও এখন ভাল মানের অনেক ডোমেইন হোস্টিং কোম্পানি আছে। এই সব কোম্পানি বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে ভাল সার্ভিস প্রদান করছে। তবে আপনাকে ভাল মানের ডোমেইন হোস্টিং যাচাই বাচাই করে ভাল মানের কোম্পানি থেকে আপনার ডোমেইন ও হোস্টিং কিনতে হবে। ভাল মানের কোম্পানি থেকে ডোমেইন হোস্টিং না কিনলে আপনি নানা রকম সমস্যার সন্মুখীন হতে পারেন। 

আসুন প্রথমে জানি ডোমেইন কি?

আপনি একটি ওয়েবসাইট বানাতে চাইলে ইন্টারনেটে আপনাকে একটি এড্রেস বা ডোমেইন কিনতে হবে। ডোমেইন একটা নাম যা আপনার ওয়েবসাইট কে আইডেন্টিফাই করে। ডোমেইন নেম মানুষের নামের মতই। একটি মানুষের নাম তার পরিচয় বহন করে, তেমনি একটা ডোমেইন নেম একটা ওয়েবসাইট এর পরিচয় বহন করে। পার্থক্য হল একটি নাম একাধিক মানুষের হতে পারে, তবে ডোমেইন নেম ইউনিক, একটি ডোমেইন পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি নেই। ডোমেইন হচ্ছে একটি ওয়েবসাইট এড্রেস যার মাধ্যমে বাবহারকারীরা আপনার ওয়েবসাইট টি খুজে পাই। যেমন, prothomalo.com, jugantor.com, arhostbd.com ইত্যাদি। 

ডোমেইন কেনার আগে যে ব্যাপার গুলো খেয়াল করা উচিতঃ

**কোন ধরনের ওয়েবসাইট বানাবেন সেটা আগে নিশ্চিত হতে হবে। তবে বাংলাদেশের মানুষ .COM ডোমেইন সবচেয়ে পছন্দ করে। তাই ডোমেইন কেনার ক্ষেত্রে .COM আগে বিবেচনায় রাখা উচিৎ তারপর অন্যগুলো।

**প্রোভাইডের কাছ থেকে ডোমেইন কেনার আগে জেনে নিবেন কন্টোল প্যানেল দিবে কিনা। না দিলে তার কাছ থেকে নিবেন না।

**ডোমেইন নেম সহজে মনে থাকে এবং অল্প অক্ষরের হয় সেই দিকে খেয়াল রাখবেন। ডোমেইন নেম সুন্দর না হলে মানুষ মনে রাখবেনা, তাই উদ্ভট ডোমেইন নেম পরিহায্য।

**কোন প্রতিষ্ঠিত কোম্পানী বা ইন্টারন্যাশনাল ব্যান্ডের কোম্পানির সাথে ওয়েবসাইটের সাথে আপনার ডোমেইন না মিলে সেইদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

**লোভনীয় অফারে ডোমেইন কেনার আগে অফার সম্পর্কে ভালভাবে বিস্তারিত জেনে নিবেন।

এবার জানি হোস্টিং কি?

কোন তথ্যকে অন্যের কাছে তুলে ধরার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সহজ মাধ্যম হচ্ছে ওয়েবসাইট। আপনার ওয়েবসাইট সম্পর্কে বিস্তারিত ভিজিটরকে জানাতে হলে, ওয়েবসাইট সম্পর্কে বিস্তারিত লিখতে হবে, প্রয়োজনীয় ছবি আপলোড করতে হবে, প্রয়োজনে ভিডিও আপলোড করতে হবে। এই তথ্য গুলো আপলোড করার জন্য একটি নিদিষ্ট জায়গার প্রযোজন হয়, এই জায়গার নামই হল হোষ্টিং।

হোস্টিং কেনার আগে যে ব্যাপার গুলো মনে রাখা উচিতঃ

**প্রথমে খেয়াল করবেন যে কোম্পানী থেকে হোস্টিং কিনবেন সেই কোম্পানী মার্কেটে নতুন কিনা। তাদের সামগ্রিক অবস্থা কেমন। তাদের কাস্টমারদের রিভিউ দেখবেন।

** হোস্টিং এর প্যাকেজ গুলো ভাল্ভাবে দেখে নিন। 

** হোস্টিং রিনিউ খরচ কত সেটা  ভাল্ভাবে জেনে নিবেন। 

**ওয়েবসাইট বানানোর পূর্বে আপনার হোস্টিং এর বাজেট করতে হবে। আপনার ওয়েবসাইট এর জন্য কতটুকু স্পেস দরকার, প্রতিমাসে কেমন ট্রাফিক থাকবে মানে কতটুকু ব্যান্ডউইথ দরকার এই গুলো হিসেব করে আপনার হোস্টিং বাজেট করতে হবে।

**হোস্টিং কেনার ক্ষেত্রে অবশ্যই আপটাইম দেখে নিতে হবে। কারন আপনার সাইট কত সময় লাইফ থাকবে তা আপটাইমের উপর নির্ভর করে। হোস্টিং এর ক্ষেত্রে আপটাইম খুবই গুরুক্তপূর্ন ব্যাপার।

**ভাল সাপোর্ট দেখে হোস্টিং নিবেন। ২৪/৭ সাপোর্ট দেই এমন কোম্পানী থেকে হোস্টিং নেওয়ার চেষ্টা করবেন।

**আপনার লিনাক্স বা উইন্ডোজ কোন ধরনের হোস্টিং লাগবে সেটা বুঝে নিবেন।

**মানি ব্যাক গ্যারান্টি দিবে কিনা ভালভাবে জেনে নিবেন। অনেক কোম্পানী ৩০ দিনের মানি ব্যাক গ্যারান্টি দেয়।

**সার্ভারের ওভারলোড এমন কোন কোম্পানী থেকে হোস্টিং নিবেন না। এতে আপনার ওয়বসাইট লোড হতে বেশি সময় লাগবে।

** ওয়েবসাইট এর সর্বাধিক নিরাপত্তা দিবে এমন কোম্পানি থেকে কিনবেন। 

Scroll to Top